হরিপুরের হরেক কাণ্ড

5.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Horipurer Horek Kando
সিরিজ: অদ্ভুতুড়ে সিরিজ
প্রকাশক: দে’জ পাবলিশিং
বিষয়: শিশু-কিশোর, রহস্য
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 54
আইএসবিএন: 8176121207
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ

কি আজব! দুইজন জলজ্যান্ত মানুষ উধাও? এ কি করে সম্ভব! শূলপাণির ঘর থেকে একটা কাঠের বাক্সও সেই রাতে গায়েব হয়ে যায়। তাও আবার নগেন দারোগা, গদাই নস্করের নাকের সামনে দিয়ে। সেই বাক্সে আছে সাতটি কড়ি আর সাতটি পুরানো পয়সা। কিন্তু কি এর রহস্য? কোন গুপ্তধন??

গ্রামের নাম হরিপুর। শান্ত আরর নির্ঝঞ্ঝাট একটা গ্রাম এই হরিপুর। একটা সময় যার সাথে যার অমিল ছিলো, সম্পর্ক খারাপ ছিলো এখন তাদের মাঝেই গলায় গলায় মিল। কি অদ্ভূত গ্রামের এই মানুষগুলা। এই যেমন গ্রামের দারোগা নগেন একটা সময় নাওয়া খাওয়া ভুলে ডাকসাইটে ডাকাত সর্দার গদাই নস্করকে ধরার জন্য পাগল হয়ে ছিলো। আর এখন দুজন প্রতি সন্ধ্যায় বারান্দায় বসে দাবা খেলেন। এক সনয় হরিপুর গ্রামের জমিদার ছিলেন মহেন্দ্র রায় (এখন অবশ্য সেই জমিদারি নেই) আর তখন তার রাজদ্রোহী ছিলেন পবনকুমার। পবনকে তখন ধরার জন্য উঠে পড়ে ছিলেন মহেন্দ্র। আর এখন দুজন একসাথে আড্ডা দেন। গ্রামের এলোপ্যাথি ডাক্তার শহিদলাল, হোমিওপ্যাথি বিশু দত্ত আর কবিরাজ রামহরি। একটা সময় তিনজন কেউই কাউকে দেখতে পারতেন না। আর এই বৃদ্ধ বয়সে এসে যেকোন অসুখে তিনজনই তিনজনের কাছে ছুটে যান। এরা ছাড়াও গ্রামে আছে শূলপাণি নামের একজন পাগল। কারো কাছে সে পাগল, কেউ বলে বিজ্ঞানী। একেকজন একেক কথা বলে। সেই শূলপাণি গত ত্রিশ বছর ধরে ঠিক আটটা বাজে এক অট্টহাসি দেয়। কেউ জানে না কি কারণ তার। কখনো এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয় নি।

কিন্তু আজ হলো! শূলপাণি ঠিক আটটায় হাসি দেয় নি। গ্রামের সব লোক গিয়ে জড়ো হলো তার ঘরে। অদ্ভূত! শূলপাণি ঘরে নেই। ঠিক তার পরদিন সকালে গ্রামের লোক জানতে পারলো গ্রামের পরঞ্জয় বাবুও ঘরে নেই।

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।