ভুতুড়ে ঘড়ি

5.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Vuture Ghari
সিরিজ: অদ্ভুতুড়ে সিরিজ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
বিষয়: শিশু-কিশোর, ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত, রহস্য
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 106
আইএসবিএন: 9788170668350
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ
দাদু হারানচন্দ্র ঘড়ি হারিয়ে ফেলেছে। এটা তার হারানো তিনশত বাইশ নাম্বার ঘড়ি। তার ঘড়ি হারানো নিয়ে সবার মনেই ক্ষোভ। বিশেষ করে হারানচন্দ্রের স্ত্রী বাসবনলিনী তো তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে দিয়েছে। হারানচন্দ্র নাস্তিক মানুষ,ভূত-ভগবান কিছুই মানে না। ওদিকে তার বন্ধু হলো জটাই তান্ত্রিক, যে কিনা হরি ডোমের খুলিতে ছাড়া চা খাই না। সে আসলেই দুই বন্ধুর তর্ক বেঁধে যায়।যা খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে ছানু,কদম এবং লাটু।এরা হলো হারানের নাতি-নাতনি। এদের মধ্যে লাটু হলো দাদুর ভক্ত।ঘড়ি হারানোর জন্য জটাই যখন হারানচন্দ্রের নাস্তিকতাকে পরোক্ষ ভাবে দায়ী করে তখন ও যেন ঠিক মতো উত্তর করতে পারে না সে। যাহোক,হারানচন্দ্রের  বড় ছেলে বাবাকে একটা নতুন ঘড়ি কিনে দিল। ঘড়িটা একটু অদ্ভুত রকমের। এর ঘন্টার ঘর চব্বিশটি। আরোও আছে সেকেন্ড এর কাটা। এই ঘড়ি টা হাতে আসার পর থেকে ঘটছে সব অদ্ভুত ঘটনা। রাতে হারানচন্দ্র চোরের চলাফেরার শব্দ শুনছে,নিচু গলায় কিন্নরী কন্ঠের গান শুনতে পাচ্ছে। বাড়ির সব ঘড়ির সময় কেমন উল্টো ভাবে চলছে। ঘড়ির কান্ড কারখানা দেখে হারানচন্দ্রের এত দিনের বিশ্বাস নড়ে ওঠে। জটাই তান্ত্রিকের কাছে শোধন করতে দিয়ে আসে ঘড়ি। পরে বাড়িতে ফিরে দেয়াই জেরবার হয়ে আবার ঘড়ি ফেরত আনতে গিয়ে দেখে ঘড়ি নেই কিন্তু জটাই বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে। ওদিকে বিজ্ঞানী গর্ডন সাহেবের বাড়িতে গিয়ে ঘড়িটা উদ্ধার হয় কিন্তু গর্ডন সাহেবের ও বেহুঁশ অবস্থা। অবস্থা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। এদিকে দাদুর অদ্ভুত ঘড়িটা একসময় হাতে পাই লাটু। ঘড়ির ভিতর থেকে একজন লাটুর সাথে কথা বলে ওঠে। প্রথমে ভয় পেলেও পরে আর ভয় থাকে না। সে জানতে পারে রামরাহা নামে একজন এই ঘড়ি টা খুঁজছে। যে কথা বলছে সে হলো মহাকাশ থেকে অন্য গ্রহের খ্রাচ খ্রাচ। খ্রাচ খ্রাচ বলে রামরাহা এটা হাতে পেলে পৃথিবী ধ্বংস করে ফেলবে।এখন পৃথিবী রক্ষার দায়িত্ব লাটুর।  সকল কাজের কাজীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় লাটুর। যে ঘড়ির মধ্যে থেকেই সব করতে পারে। এই কাজীর বুদ্ধিতে লাটু আশ্রয় নেয় গর্ডন সাহেবের গবেষণাগারে। কাজীর কাছেই‌ লাটু জানতে পারে রামরাহা খুঁজে বেড়াচ্ছে রাডাক্যালি। রাডাক্যালি তৈরি করেছে রামরাহা। কিন্তু রামরাহা ঠিকই খুঁজে পায় লাটু এবং কাজীকে। অপুর্ব কান্তি রামরাহা এবং তার মিষ্টি ব্যবহার ভালো লাগে লাটুর। যদিও রামরাহা শত্রু। রামরাহাই বলে কাজীই হচ্ছে রাডাক্যালি।খ্রাচ খ্রাচ এর হাতে পড়ে রাডাক্যালির নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে। ভয়ংকর চেহারার খ্রাচ খ্রাচ না সুন্দর চেহারার রামরাহা কাকে বিশ্বাস করবে লাটু ? কিভাবেই বা শেষ পর্যন্ত পৃথিবীকে রক্ষা করা গেল দুশমনের হাত থেকে?

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।
অ্যাডমিন 29 Mar, 2020
অসাধারণ।