সানজু দ্য আর্ট অব ওয়ার ফর এক্সিকিউটিভস

4.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Sanju The Art of War for Executives
প্রকাশক: আলোড়ন পাবলিকেশন
বিষয়: অনুবাদ, আত্ম-উন্নয়ন
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 49
আইএসবিএন: 9789849429265
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ
অনুবাদক: মোহাম্মদ আবদুল লতিফ

২৫০০ বছর আগে চীনের উত্তর পুর্ব অঞ্চলে সান জু বাস করতেন। সময়টা ছিলো প্রায় বিখ্যাত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের সময়ে। যুদ্ধক্ষেত্রে অনেকগুলো জয়লাভের ফলে সান জু ও তার পিতাকে সামরিক কৌশলের এক্সপার্ট হিসাবে বিবেচনা করা হতো। সান জু যে তার নিজের চিন্তা ধারা লিখে গেছেন এরকম কোন প্রত্যক্ষ প্রমান পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর প্রায় ১০০ বছর পর মহান চীনা সেনাপতি চাও চাও মিলিটারী স্ট্রাটেজির উপর একটি টেক্সট লিপিবদ্ধ করেন। এটি ছিল সান জু এর শিক্ষার একটি সংকলন। সান জুর পদ্ধতি ব্যবহার করে চাও চাও এর যুদ্ধে বিষ্ময়কর জয়লাভের ( তিনি পুরো চীনকে এক করে ফেলেন) ফলে এই বইয়ের উপর বিরাট আকর্ষন নিপতিত হয়। যুগ যুগ ধরে অনেক সফল মিলিটারী লিডার তাদের জয়লাভের কারন হিসাবে সান জু-র নীতিমালার কথাই উল্লেখ করে গেছেন। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী উল্লেখযোগ্য হলেন মাও সে তুং। অধিকন্তু এই বইয়ের কৌশলগুলো অসংখ্য ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রয়োগ হওয়াতে, সান জু কে এখন সারাবিশ্বে বিশেষভাবে এশিয়ার লীডাররা স্টাডি করছেন এবং অনুসরন করে যাচ্ছেন।
যুদ্ধবিগ্রহ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে সাধারন ঘঠনা। অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনীতায় যুদ্ধবিগ্রহকে খুব সতর্কতার সাথে স্টাডি করা হচ্ছে। যুদ্ধে সফলতা অর্জনের উপাদানগুলো ভালভাবে স্টাডি করা হচ্ছে। মৌলিকভাবে ব্যবসা ও যুদ্ধে জয়লাভ লীডারশীপের উপর নির্ভর করে। অন্যান্য উপাদান – ইনফরমেশন, প্রস্তুতি, অরগেনাইজেশন, যোগযোগ, মটিভেশন এবং নির্বাহকরনও সফলতায় অবদান রেখে থাকে কিন্তু এসব উপাদানের ফলপ্রসূতা সম্পূর্নভাবে নির্ভর করে লিডারশীপের মানের উপর।
সান জু এর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ আইডিয়া ছিলো যুদ্ধে বা প্রতিযোগীতায় সেই সংগঠন বা ব্যক্তি জয়লাভ করে থাকে প্রথমত যার সবচেয়ে বেশী কম্পিটিটিভ সুবিধা রয়েছে এবং দ্বিতিয়ত যে সবচেয়ে কম ভুল করে।কম্পিটিটিভ সুবিধা বিভিন্ন উপাদানের মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে যেমন উন্নত শ্রমশক্তি, উন্নত অবস্থান, উন্নত নির্বাহ এবং উদ্ভাবন। কম্পিটিটিভ সুবিধাকে সংগঠনের অধিকাংশ মানূষ বুঝে নিতে হয়। কিন্তু সফলতা নির্ধারনকারী উপাদান নয়। মানূষই যুদ্ধ করে এবং জয়লাভ করে। এবং যুদ্ধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তি হলেন জেনারেল।
সান জু- র মতে আদর্শ জেনারেলরা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই জয়লাভ করে থাকেন। দুটো উপায়ে তিনি তা করে থাকেনঃ প্রথমত সময় নিয়ে তিনি তার চরিত্র উন্নয়ন করেন এবং দ্বিতীয়তঃ তিনি একটি ক্রিটিক্যাল স্ট্রাটেজিক সুবিধা তৈরি করেন। চীনা দর্শনে চরিত্র হলো লিডারশীপের ভিত্তি। সুপিরিয়র চরিত্রের লোকেরা সুপিরিয়র লিডার হয়ে থাকে।কিন্তু একজন জেনারেলের চরিত্র রাতারাতি গড়ে উঠে না। সুতরাং যারা নেতৃত্ব দিতে চায় তাদেরকে নিডারশিপের বৈশিষ্টগুলো দীর্ঘ সময় ধরে রপ্ত করে নিতে হয়। একজন জেনারেল স্ট্রাটেজিক সুবিধা নেয়ার জন্য তার অরগেনাইজেশনকে এমন জায়গায় স্থাপন করেন যেখান থেকে এটিকে পরাজিত করা যায় না এবং শত্রুর অপেক্ষায় থাকতে হয় না যারা জয়ের সুযোগ এনে দেবে। তিনি তা করেন তথ্যকে ম্যানেজ করে।একজন আদর্শ জেনারেল কখনো ভুল করেন না। একজন আদর্শ জেনারেল ধৈর্যশীল একজন আদর্শ জেনারেল দূর্জেয়।
প্রাকৃতিক সংগঠনঃ সান জু-র ইফেকটিভনেস মডেল
সান জু-র আর্মির মডেলকে বলা যায় ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’-র মডেল। ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ এর তিনটি বৈশিষ্ট থাকে। প্রথমতঃ তারা বর্নিত একটি উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কাজ করে। তাদের অস্তিত্ব সময়ের নিরিখে তাদের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য। দ্বিতীয়তঃ তারা তথ্য-কেন্দ্রিক। ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ তাদের কাজের ভিত্তি হিসাবে তথ্যের সন্ধান করে সেগুলো ব্যবহার করে থাকে। তারা না চাওয়া মতামত এবং অনুমান এড়িয়ে চলে। অনিশ্চয়তা মোকাবেলায় তারা যুক্তিসঙ্গত সম্ভাবনার ব্যবহারকে বাছাই করে থাকে। তৃতীয়তঃ ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ সম্পুর্ন নমনীয় এবং পরিবর্তনযোগ্য। তারা নিজেদের পরিবেশ পরিবর্তন করে নিতে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সাড়া দিয়ে থাকে- যা তাদের বর্নিত উদ্দেশ্য অর্জনে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে থাকে।
‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ এর স্বচ্ছ ও পরিচিত উদাহরন হলো পিপড়ার কলোনি। শত শত মিলিয়ন বৎসর ধরে পিপড়ার কলোনিগুলো দৃশত কোন পরিবর্তন ছাড়াই নিজেদের অস্তিত্ব ঠিকিয়ে রাখতে পেরেছে। এটি সর্বচ্চ কঠিন অবস্থায় কর্মসম্পাদনের রেকর্ড রাখতে পেরেছে। পিপড়ার এই কলোনিগুলো শুধুমাত্র নিজেদের সদস্যদেরকে খাবার ও আশ্রয় দিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঠিকে আছে।এই উদ্দেশ্যে একবার সফল হতে পারলেই এরা তাদের ডমিন সম্প্রসারনের উপায়, যেমন পাশাপাশি কোন মৌচাক বা অন্য লাইনের কোন ব্যবসা খুজতে যায় না।
পিপড়ার কলোনি সম্পূর্ণভাবে তথ্য-নির্ভর। সংগঠনের সদস্যরা অবিরাম কলোনির খাবারের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। তারা সংগঠনের অন্য সদস্যদের মধ্যে দ্রুত এবং দক্ষভাবে তথ্যের প্রবাহ ঘঠিয়ে থাকে।
পিপড়ার কলোনি সম্পূর্নভাবে নমনীয়। তাদের খাবার ও আশ্রয়ের প্রয়োজন এর ভিত্তিতে কোন সদস্যের আবিষ্কৃত সুযোগের সুবিধা নিতে কলোনি দ্রুত তার অবস্থান এবং পদ্ধতির পরিবর্তন করে ফেলে।
দূর্ভাগ্যজনকভাবে পিপড়ার কলোনি প্রায়ই চূড়ান্ত রেজিমেন্টেশনের মডেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ফলে সব স্তরে মানবীয় সংগঠনের সাথে সরাসরি তুলনা করা সঠিক বলে বিবেচিত হয় না। যদিও উদাহরণ ও বর্ণ্নার উদ্দেশ্যে পিপড়ার কলোনি মানূষকে এক বিরাট শিক্ষা প্রদান করে। অধিকন্তু, মানব সমাজের একই ধরনের সংক্ষির্ণ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং থাকার দরকার হয় না। সম্ভবত আমাদের প্রজাতি নিজের সকক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে নিতে এবং দূর্বলতাকে কমিয়ে দিতে পারে।
সান জু চ্যাপ্টার ৭ ও ৮ এর শুরুতে নোটিং করে বলেছেন যে কমান্ডিং জেনারেলকে দেশের শাসক কর্তৃক কতৃত্ব প্রদান করতে হবে যাতে একটি আর্মি গঠন করতে পারেন যাতে যুদ্ধ করা যায়। সান জু এর আর্মি গঠন কর হয়েছিলো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য। এগুলো সুনির্দিষ্ট আশংকা ও সুযোগের ব্যবহারের জন্য গঠন করা হয়েছিলো। এটি অনুমান করা যায় যে এসব আশংকা ও সুযোগের পর এসব আর্মিকে ভেঙ্গে দ্যা হতো। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সান জু এর আর্মি অস্থায়ী প্রজেক্ট টিমের সাথে সাদৃশ্যপুর্ণ যেগুলো আধুমিক ব্যবসায়ের বড় বড় সিস্টেমের ডিজাইন ও প্রস্তুত করতে গঠন করা হয়। বর্নিত উদ্দেশ্যসমুহ অর্জনে এই অস্থায়ী টিমগুলো সম্পদসমুহ একসাথে জড়ো করে। একবার বর্নিত উদ্দেশ্য অর্জন হয়ে গেলে এই টিম বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই অস্থায়ী প্রজেক্ট টিম এতো সফল হয় যে এটি আধুনিক বিজনেসের তাত্তিকরা তাদের ভবিষ্যতের সাংগঠনিক মডেল হিসাবে প্রস্তাব করে বসেন।
সান জু এর আর্মিও তথ্য-নির্ভর। সান জু উল্লেখ করেন যে সুপিরিয়র কমান্ডাররা এরকম পরিস্থিতিতে সফল হয়ে থাকেন যেখানে সাধারন লোকরা ব্যর্থ হয়ে যান। কান তাদের হাতে থাকে অধিক সমসাময়িক তথ্য এবং তারা দ্রুত তা ব্যবহার করে থাকেন। তথ্য-নির্ভর প্রতিষ্ঠানের মৌলিক কাজগুলো হলো-তথ্যের সংগ্রহকরন, প্রক্রিয়াজাতকরন, ব্যবহার এবং বিস্তৃতি করন।তথ্য-নির্ভর প্রতিষ্ঠানের নেতারা সবগুলো সাংগঠিক কাজকে তথ্য-নির্ভর মনে করেন। তারা সাংগঠনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য তথ্য ব্যবহারের গতি ও মান বৃদ্ধির আশ্রয় নেন। অনেকটা নতুন আবিষ্কৃত কম্পিউটার চিপসের মতো, তথ্য নির্ভর প্রতিষ্ঠান অনেকগুলো চ্যানেল তৈরি করেন যাতে দ্রুত তথ্যগুলোর প্রবাহ ঘটানো যায়। অপ্রয়োজনীয় ও আভ্যন্তরিন ডাটার ( আন্ত-অফিস মেমো, অপ্রয়োজনিয় রিপোর্ট) প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দিয়ে তারা সিস্টেমের ওভারহেডও কমিয়ে দেন। অধিক ও উচ্চ মানের তথ্য, সঠিকভাবে তথ্যের ব্যবহারে সদস্যদের প্রশিক্ষন, সদস্যদের দ্রুত তথ্যের প্রাপ্তি নিশ্চিতকরা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেয়া এবং তা নির্বাহ করার অনুমতি প্রদানের মাধ্যমে তারা সিস্টেমের সাড়া দেয়া বাড়িয়ে দেন। তথ্য কেন্দ্রিকতা আধুনিক সাংগঠনিক থিওরির একটি প্রধান মতবাদ, বিশেষভাবে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এর সাথে সম্পৃক্ত মতবাদ।
প্রথম অধ্যায়ে সান জু যে কোন কাজ করার আগে আমাদেরকে সবকিছু বিবেচনা করার চ্যালেঞ্জ প্রদান করেছেন। তিনি যে কোন কম্পিটিটিভ পরিস্থিতিতে কোন পক্ষের সফলতার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা আছে তা নির্ধারনে ক্রিটিক্যাল উপাদানগুলো মুল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও আধুনিক সম্ভাবনা ও পরিসংখ্যানের পদ্ধতিগুলো সান জু এর সময়ে উপস্থিত ছিলো না, কোন সুনির্দিষ্ট কাজের ফলাফলের তুলনামুলক সম্ভাবনার আইডিয়া বেশ বোধগম্য ছিলো। সান জু এর চিন্তাধারার মৌলিক বিষয় ছিলো সম্ভাবনা বুঝে নেয়া এবং অজানা ঘটনার প্রভাব কমিয়ে দেয়া। ডব্লিউ, এডোয়ার্ড ডেমিং, শিজিও শিংগো এবং অন্যরাও সম্ভাবনা বুঝে নেয়া এবং অজানা ঘটনার প্রভাব কমিয়ে দেয়াকে পদ্ধতির উন্নয়নের জন্য সুপারিশ করেছেন।
অরিয়েন্টাল দর্শনের এই আইডিয়ার প্রাথমিক দিক হলো বিশ্ব অবিরাম পরিবর্তিত হচ্ছে। নিজেদের অস্তিত্ব ঠিকিয়ে রাখতে মানব সমাজকেও এসব পরিবর্তনের জবাব দিতে নমনিয় এবং মানিয়ে নেয়ার উপযোগী হতে হবে। ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ গুলো সম্পূর্ন নমনিয় এবং খাপ খাওয়ানোর উপযোগী। এরা এমনভাবে নিজেদের কাঠামো তৈরি করে যা তাদের উদ্দেশ্য ও পরিবেশের আকৃতির মাধ্যমে আরোপিত প্রয়োজনকে মেঠাতে সক্ষম। পানি যেমন প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যে প্রবাহিত হতে সবচেয়ে কার্যকর রাস্তা খুজে নেয়। পানির মতো যা প্রয়োজনে আকারহীন। এরা দ্রুত উত্তর দিয়ে থাকে এবং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে দ্রুত মানিয়ে নেয়। যদি এসব বর্ণনা আপনার পরিচিত হয়ে থাকে তবে তা জাপানি ম্যানেজমেন্ট বিপ্লবের হার্ট “ Continuous Change” ও “ Continuous Improvement” এর জন্য।
কার্যকর সংগঠনের সান জু এর মডেল বর্তমান কোন ম্যানেজমেন্ট জার্নাল থেকে আসতে পারতো। তার ‘প্রাকৃতিক সংগঠন’ একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য বর্তমান; এটি তথ্য কেন্দ্রিক; এটি নমনীয়। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে সফল সংগঠনে এই তিনটি বৈশিষ্ট্য সাধারনভাবে বিদ্যমান।
সান জু এর সফলতার নীতিমালা
অধিকাংশ মানুষের এবং সংগঠনের জন্য বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে ম্যাপে অবস্থিত কোন স্থান নয়। আজকের যুদ্ধ সংগঠনের উপাদানগুলো যারা একত্র করেন তাদের মাথার মধ্যে অথবা ব্যক্তির মধ্যে। সংগঠনের উপাদানের মধ্যে আছে কাস্টমার, কর্মি, স্টেকহোল্ডার, রাজনীতিবিদ, সংবাদকর্মী, সরবরাহকারি, এবং যে কেউ যে কোন সংগঠনের সংস্পর্শে আসে। ব্যক্তিক উপাদানগুলোর মধ্য থাকতে পারে সহকারী, সুপিরিয়র, ক্লায়েন্ট, পরামর্শদাতা, পরিবার ও বন্ধু বান্ধব, অধিকন্তু যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয় এবং সংগঠন যাদেরকে সেবা প্রদান করে। সংগঠন ও ব্যক্তির যুদ্ধক্ষেত্রে জেতা এবং হারা নির্ভর করে কত ভালভাবে তারা উপাদানগুলোর ধারনা এবং মতামতকে প্রভাবিত করতে পারে তার উপর।
বর্তমান যুদ্ধ তথ্যের যুদ্ধ কারন তথ্যই মানূষের ধারনা ও মতামতকে নির্ধারন করে। আক্রমনে ও প্রতিরক্ষায় যারা কার্যকরভাবে ইনফরমেশন টেকনোলজি ব্যবহার করতে পারবেন তারাই জিতবেন। যারা পারবেন না, তারা হারবেন। ট্রাডিশনাল যুদ্ধ জয়ে সান জু এর প্রাচীন প্রজ্ঞাকে ইনফরমেশন যুদ্ধের ক্ষেত্রেও সমানভাবে ব্যবহার করা যাবে।
সান জু র প্রজ্ঞার গুরুত্বপূর্ন দিকগুলোকে দশটি সংক্ষিপ্ত নীতিমালায় প্রকাশ করা যায়ঃ

  • যুদ্ধ শেখা
  • পথ দেখা
  • সঠিকভাবে করা
  • প্রকৃত ঘটনা জানা
  • খারাপটাই ঘঠবে মনে করা
  • দিনটিকে পাকড়াও করা
  • ব্রিজ পুড়িয়ে দেয়া
  • ভালভাবে করা
  • একসাথে টানা
  • অনুমান করতে দেয়া

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।