বোম্বেটে জাহাজ

5.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Bombete Jahaj
সিরিজ: দুঃসাহসী টিনটিন সিরিজ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
বিষয়: শিশু-কিশোর, কমিকস, নকশা ও ছবির গল্প, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 66
আইএসবিএন: 9788172154684
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ
অনুবাদক: নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

ব্রুসেলসের পুরনো বাজারে ঘুরতে গিয়ে টিনটিন একটা জাহাজের মডেল কেনে বন্ধু ক্যাপ্টেন হ্যাডকের জন্যে। কিন্তু তখনই জাহাজের মডেল সংগ্রাহক ইভান ইভানোভিচ স্যাখারিন আর অ্যাণ্টিক-সন্ধানী বার্নাবি এসে সেটা কিনতে চায়। তারা বহুগুণ দাম সাধাসাধি করলেও টিনটিন কারো কাছেই সেটা বিক্রি করেনি। বাজারে পুলিশের দুই গোয়েন্দা জনসন ও রনসনকেও দেখা যায়; তারা পকেটমার ধরতে বেরিয়েছে। টিনটিন জাহাজের মডেলটা বাসায় এনে রাখার কিছু পরেই কুট্টুসের ধাক্কায় এটার বড় মাস্তুল ভেঙে যায়। মেরামত করে ক্যাপ্টেন হ্যাডককে দেখানোর পর জানা যায়, এটা ‘ইউনিকর্ন’ জাহাজের মডেল, ক্যাপ্টেনের এক পূর্বপুরুষ ছিলেন যার কমান্ডার।টিনটিন যখন বাড়ির বাইরে, জাহাজের মডেলটা চুরি হয়ে যায়। সেটার খোঁজে টিনটিন স্যাখারিনের বাড়িতে গিয়ে দেখে, তার কাছেও ইউনিকর্নের হুবহু একইরকম আরেকটি মডেল আছে। বাসায় ফিরে টিনটিন খুঁজে পায় গোল করে পাকানো একটুকরো কাগজ যা হয়তো মডেল জাহাজের ভাঙা মাস্তুলের ভেতর ছিল। কাগজে লেখা দুর্বোধ্য একটা ধাঁধা: "তিন ভাই... তিন জাহাজ... দুপুর বেলায় যাত্রা... সূর্য পথ বাতলায়... আলো থেকেই আসে আলো... তাতেই আঁধার কাটে"।

ধাঁধাটা শুনে ক্যাপ্টেন জানায় যে, তার পূর্বপুরুষ স্যার ফ্রান্সিস হ্যাডক ছিলেন ১৭শ শতকের রণতরী ‘ইউনিকর্ন’-এর ক্যাপ্টেন। জলদস্যু লাল বোম্বেটে তার জাহাজ কবজা করে তাকে বন্দি করে আর সেখানে জমায় তাদের লুট করা সব সম্পদ। রাতের আঁধারে স্যার ফ্রান্সিস নিজেকে মুক্ত করে লাল বোম্বেটের সাথে ডুয়েলে তাকে হত্যা করেন আর জাহাজের অস্ত্রাগারে আগুন লাগিয়ে দেন। বিস্ফোরণের পূর্বেই তিনি জাহাজ থেকে নেমে আসতে পেরেছিলেন। পরবর্তীতে তিনিই আবার ইউনিকর্নের ৩টি মডেল বানিয়ে তার পুত্রদের দিয়ে যান। এদিকে সেই বার্নাবি টিনটিনের সাথে দেখা করতে এসে বাসার দরজায় গুলিবিদ্ধ হয়। অজ্ঞান হবার আগে সে কিছু বলতে না পারলেও একঝাঁক চড়ুইপাখির দিকে রহস্যময় ইঙ্গিত করে। আসলে তার আততায়ী ছিল দুই বার্ড ভাই, অ্যান্টিক ব্যবসায়ী; ইউনিকর্নের ৩য় মডেল ও ধাঁধা পেয়ে তারা ধাঁধার অপর দুই টুকরো হাত করার চেষ্টা করছে। প্রথমে বার্নাবি তাদের হয়ে একাজ করলেও এখন বনিবনা না হওয়ায় সে টিনটিনের কাছে আসে আর তারাও তার পিছু নেয়। যাইহোক, বার্ড ভাইয়েরা পরবর্তীতে টিনটিনকেও বন্দী করে তাদের কাউন্টি মার্লিনসস্পাইক হলের ভূগর্ভস্থ গুদামে। টিনটিন সেখান থেকে পালাতে সক্ষম হয় আর জনসন-রনসন বার্ড ভাইদের গ্রেপ্তার করে। বার্ড ভাইদের কাছে তখন ধাঁধার শুধু একটা টুকরো ছিল। অপর দুটুকরো তাদের মানিব্যাগের সাথে চুরি হয়েছে। টিনটিনের সাহায্যে মাণিকজোড় খুঁজে বের করে সেই পকেটমার: মিঃ সিল্ক, চুরি করা যার পেশা নয়, লোকের মানিব্যাগ সংগ্রহ করা তার বাতিক। তার কাছে বার্ডদের মানিব্যাগ ও তাতে অপর দুটুকরো কাগজ পাওয়া যায়। এবার তিনটি কাগজ একত্রে আলোর সামনে ধরলে জানা যায় সেই স্থানের অক্ষ ও দ্রাঘিমা যেখানে ডুবেছিল ইউনিকর্ন আর বোম্বেটের ধনসম্পদ। সেসব উদ্ধার করতে সমুদ্রযাত্রার পরিকল্পনা করতে থাকে টিনটিন আর হ্যাডক।

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।