লাল বোম্বেটের গুপ্তধন

5.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Laal Bombeter Guptodhon
সিরিজ: দুঃসাহসী টিনটিন সিরিজ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
বিষয়: শিশু-কিশোর, কমিকস, নকশা ও ছবির গল্প, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 65
আইএসবিএন: 9788172155728
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ

জলদস্যু লাল বোম্বেটের গুপ্তধন উদ্ধারের জন্যে টিনটিন ও ক্যাপ্টেন হ্যাডক মাছধরার ট্রলার সাইরাস নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে পাড়ি দেবার পরিকল্পনা আঁটে। ক্যাপ্টেনের পূর্বপুরুষ স্যার ফ্রান্সিস হ্যাডকের রেখে যাওয়া তিনটি ভূর্জপত্র পড়ে তারা ইউনিকর্ন জাহাজ যেখানে ডুবেছিল তার অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ জেনেছে। সেই জাহাজেই লাল বোম্বেটের ধনসম্পদ থাকার কথা। তাদের সাহায্য করতে আসে এক খামখেয়ালি কানে-কম-শোনা আবিস্কারক প্রফেসর কাথবার্ট ক্যালকুলাস, তার তৈরি হাঙর-আকৃতি এক-আরোহী ডুবোজাহাজ নিয়ে। তবে তারা তাকে ফিরিয়ে দেয়।

সমুদ্রে যাত্রা করার পর তাদের সাথে এসে যুক্ত হয় পুলিশের গোয়েন্দা জনসন ও রনসন। দুদিন বাদে জানা যায় প্রফেসর ক্যালকুলাসও লুকিয়ে জাহাজে উঠেছেন, তার ডুবোজাহাজসহ। তারা ভূর্জপত্রের লেখানুযায়ী ভৌগোলিক অবস্থানে পৌছলেও কোনো দ্বীপ খুঁজে পায়নি। হতাশ হয়ে ক্যাপ্টেন ফিরে যাবার কথা ভাবতে থাকে। তখন টিনটিন সমস্যাটি ধরতে পারে: যদি স্যার ফ্রান্সিস অবস্থান নির্ণয়ে ইংরেজি মানচিত্রের বদলে ফরাসী মানচিত্র ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে স্থানাঙ্ক হবে ফরাসী মূল মধ্যরেখা অনুসারে, গ্রীনউইচ মধ্যরেখা নয়। আর গ্রীনউইচ অনুসরণ করে তারা অনেক বেশি পশ্চিমে চলে এসেছে।

এবার সঠিক অবস্থানে পৌঁছে তারা এক অজানা দ্বীপ আবিস্কার করে। দ্বীপে স্যার ফ্রান্সিস হ্যাডকের একটি মূর্তি পাওয়া যায়। সেখানকার টিয়াপাখিগুলোও স্যার ফ্রান্সিসের থেকে শোনা গালিগুলো ব্যবহার করে। এসব থেকে টিনটিন এ সিদ্ধান্তে আসে যে ফ্রান্সিস হ্যাডক এ দ্বীপে আশ্রয় নিয়েছিলেন আর ইউনিকর্ন জাহাজও কাছাকাছি কোথাও ডুবেছে। তারা ক্যালকুলাসের ডুবোজাহাজ ব্যবহার করে ইউনিকর্নের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করে এবং কিছু প্রত্নবস্তুও উদ্ধার করে, তবে গুপ্তধন পায়নি। প্রত্নবস্তুগুলোর মধ্যে একটি সিন্দুকে থাকা পুরনো দলিলপত্র থেকে জানা যায়, মার্লিনস্পাইক হল আসলে স্যার ফ্রান্সিস হ্যাডকের সম্পত্তি। বেলজিয়ামে ফিরে, ক্যালকুলাস তার ডুবোজাহাজের নকশা বিক্রি করে পাওয়া টাকা দিয়ে ক্যাপ্টেনকে মার্লিনস্পাইক হল কিনে দেয়। টিনটিন আর ক্যাপ্টেন হলের ভূগর্ভস্থ গুদামে খোঁজাখুজি করার সময় সেন্ট জন দ্য ইভানজেলিস্টের একটি মূর্তি পায়, যার হাতে ক্রুশ এবং পায়ের কাছে একটি গ্লোব ও ঈগল। টিনটিনের মনে পড়ে যে, স্যার ফ্রান্সিস হ্যাডকের ভূর্জপত্রগুলোয় বলা ছিল, "আলো থেকেই আসে আলো... তাতেই আঁধার কাটে... ঈগল ক্রস"। সে বুঝতে পারে এই বার্তা আসলে সেন্ট জন দ্য ইভানজেলিস্টকে ইঙ্গিত করছে, ঈগল তার ঐতিহ্যবাহী প্রতীক। এরপর গ্লোবে আঁকা সেই দ্বীপে টিপতেই তার ঢাকনা খুলে যায় এবং বেরিয়ে আসে লাল বোম্বেটের লুকানো ঐশ্বর্য।

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।