মদন তপাদারের বাক্স

4.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Madon Topadarer Bakso
সিরিজ: অদ্ভুতুড়ে সিরিজ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
বিষয়: শিশু-কিশোর, রম্য সাহিত্য
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 96
আইএসবিএন: 9789350402559
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ
কালোবাবুর নামে সাত সাতটা খুনের মামলা রয়েছে। লোকটা ডেঞ্জার বলে ডেঞ্জার, অ্যাঙ্গার বলে অ্যাঙ্গার! খেপলেই রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়। কালোবাবুর প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যাংড়া গেনু আর ফুটু সর্দারও কম যায় না, কানু দারোগা এদের যেন সর্পাঘাতে মৃত্যু হয়ে যায় সেজন্য দুটো পাঁঠা মানত করে রেখেছেন। তো এতো এলেমদার মানুষরা সব খেপে উঠেছে জাদুকর মদন তপাদারের পুরনো ছেঁড়া স্যুটকেসের জন্যে। বাক্সটা কোথায়? মন্টুরাম সিংহের কাছে। প্রতিদিন বাক্স খুলে দেখে মন্টুরাম, তবু ফেলনা জিনিসগুলোর মধ্যে কী যে এতো লোক খুঁজে বেড়াচ্ছে বুঝে পায় না। মন্টুরামের আলমারি থেকে একদিন হামা দিয়ে বেড়িয়ে এল এক চোর। সে-ও নাকি মদন তপাদারের জাদুর বাক্স খুঁজছে। লোকে বলে চৈতন্যপুরের রাজবাড়িতে নাকি সকলের জন্য দ্বার অবারিত। কথাটা খুব ভুল নয়, সিংহদুয়ারের অর্ধেকটাই যে ভেঙ্গে পড়েছে! রাজবাড়ির আগের ঠাঁটবাট না রইলেও, রাজা হরিশ্চন্দ্র এখনো জীবিত। ছেঁড়া জরির পোশাক পরে মাঝে মধ্যে আগাছায় ভরা বাগানে হাঁটাহাঁটি করেন তিনি। রাজবাড়িতে রাজামশায় আর পুরনো কর্মচারী সহ মোটে ছয়টি জীবিত প্রাণীর বাস, তবে বাতাসে ফিসফিস আর গুজগুজানির কমতি নেই। হরিশ্চন্দ্রের পিসিরা দেড়শো বছর আগে দেহ রেখেছেন, কিন্তু ওঁদের দাপটে কারো তিনতলায় যাবার জো নেই। মাঝরাত্তিরে হরিশ্চন্দ্র এর শোবার ঘরে কে জানি ট্র্যাপিজের খেলাও দেখিয়ে যায়। গত রাজারাও অনেকে এখনো নশ্বর দুনিয়ার মায়া কাটাতে পারেননি। হরিশ্চন্দ্রের রাজবাড়িতে একদিন আশ্রয় নিলে এক ছোকরা, নাম হিরু। পিছে তার কালোবাবু লেগেছে। ছোকরারও একটা মতলব যে আছে রাজা নিশ্চিত, তা ভালো না মন্দ কে জানে! তারও কি সেই বাক্সটাই চাই? গরীব ম্যাজিশিয়ান মদন তপাদারের জাদু দেখানোর বাক্সে কী এমন আছে?

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।