রূপালী দ্বীপ

4.00 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Rupali Dip
সিরিজ: শুভ্র সিরিজ
প্রকাশক: অনুপম প্রকাশনী
বিষয়: উপন্যাস, সমকালীন উপন্যাস, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 88
আইএসবিএন: 9789844043077
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ

দারুচিনি দ্বীপের পরের কাহিনী নিয়ে লেখা রুপালী দ্বীপের কাহিনী। দারুচিনি দ্বীপের শেষ অংশে দেখা যায় বল্টু ট্রেনে উঠার জন্য ছুটছে। তার পিছনে পিছনে ছুটছে সঞ্জুর বোন মুনা।

রুপালী দ্বীপের কাহিনীর শুরুতে দেখা যায়, বল্টু ট্রেনে উঠতে পারে তার সাথে মুনাও উঠে পড়ে ট্রেনে। মুনাকে ট্রেনে উঠতে দেখে সবাই হতবাক।

কিছুক্ষণ রানা বেশ ধমকাধমকি করে। কারণ তার উপরেই দলের সবার দেখাশোনা করার দায়িত্ব। এদিকে জরীও বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসেছে। জরী আর মুনার টিকেট করা নেই। এদের নিয়ে ঝামেলা বাড়ার কারণে রানার মেজাজ গরম। আর সেই রাগটা দেখালো রানা মুনার উপর।

যাই হোক, এতগুলা বন্ধু একসাথে ঘুরতে যাচ্ছে সেখানে অনেক মজা হওয়ার কথা। অনেক হৈ-হুল্লোড়। কিন্তু না সবাই কেমন যেন মনমরা। জরী তার নিজের মতো একদিকে চুপচাপ বসে আছে। ভাবছে, কি হওয়ার কথা ছিলো আর কি হলো আজ।

এদিকে শুভ্রের মা রাহেলা ছেলের চিন্তায় অস্থির। কারণ এর আগে কখনো শুভ্র তার বাবা-মা কে ছাড়া কোথাও যায় নি। এরপর আবার যখন গাড়ির ড্রাইভার এসে জানালো, শুভ্রের চশমা ভেঙে গেছে এবং সুন্দরী এক মেয়ে শুভ্রকে হাত ধরে ট্রেনে তুলেছে। এসব শুনে তার প্রেশার বেড়ে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পরে শুভ্রের বাবা ইয়াজউদ্দিন এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এদিকে সকালে ট্রেন থেকে নামার পরপরই একদল পুলিশ এসে অ্যারেস্ট করে শুভ্রদের দলটিকে। জরীর সাথে যে বদ লোকটির বিয়ে ঠিক হয়েছিলো মনিরুজ্জামান সেই পুলিশকে খবর দিয়েছে, তার বউকে এরা নাকি ভাগিয়ে এনেছে। আরর পুলিশও কোন কথা না শুনেই সবাইকে লকআপে ভরে দেয়!

এখন কি হবে তাদের? শুভ্র কি জানাবে তার বাবাকে? ব্যবহার করবে তার বাবার ক্ষমতা? নাকি জেলে বসেই থাকবে? এতো কাছে এসেও কি তারা সেন্টমার্টিন তাদের স্বপ্নের দারুচিনি দ্বীপ দেখতে পারবে না?

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।