ঝিলের ধারে বাড়ি

4.50 গড় রেটিং - 1 ভোট
বাড়তি নাম: Jhiler Dhare Bari
সিরিজ: অদ্ভুতুড়ে সিরিজ
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
বিষয়: রহস্য, শিশু-কিশোর
লেখক:
পৃষ্ঠাসমূহ: 123
আইএসবিএন: 9788170668305
ভাষা: বাংলা
ধরণ: পিডিএফ
সুন্দরবনের পাশের একটি ছোট্ট গ্রাম কেটেরহাট। এই গ্রামেরই বাসিন্দা সদাশীব বাবু। একসময় তার পূর্বপুরুষরা ডাকাত ছিল। ডাকাতি করে বহু টাকা-পয়সা উপার্জন করেছিল তারা। এখন সেসব টাকা-পয়সার মালিক সদাশীব বাবু। সদাশীব বাবুর একটি মাত্র ছেলে। সে তার বউ, ছেলে, মেয়ে নিয়ে কলকাতায় থাকে। বড়সড় কোন ছুটি পেলে গ্রামের বাড়ি আসে বেড়াতে। যাই হোক, প্রতিদিনের মতে সেদিন সকালেও সদাশীব বাবু খবরের কাগজ পড়ছিল। কলকাতা থেকে তিনজন লোক আসে সদাশীব বাবুর কাছে। পরিচয় দেয় তারা বিজ্ঞানী। ঝিলের ধারে সদাশীব বাবুর যে একটা বাড়ি আছে সেটা তারা ভাড়া নিবে। তাদের গবেষণার কাজে। কিন্তু সেই বাড়ি ভীষণ নড়বড়ে। যেকোন সময়ই তা ভেঙে পড়বে। সবকিছু জানার পরও বিজ্ঞানীরা বাড়িটা ভাড়া নেয়। সেই বাড়ি এতকাল দেখাশোনা করতো সিদ্ধিনাথ। বাড়ি ভাড়া নিয়েই বিজ্ঞানীগণ সিদ্ধিনাথকে পরামর্শ দেয় গ্রামের বাড়ি থেকে ঘুরে আসতে, তীর্থে যেতে। সিদ্ধিনাথের মনে খটকা লাগে। তাকে কেন তাড়াতে চাইছে এখান থেকে? এই বাড়ির পেছনে যে ঝিল লোকমুখে প্রচলিত সেই ঝিলের নিচে আছে এক মন্দির। তবে কি এই লোকগুলো সেই মন্দিরের খোজেঁই এসেছে? এই গ্রামের আরেক বাসিন্দা নবীন। নবীনের পূর্বপুরুষগণও ডাকাত ছিল। একসময় খুব দাপট থাকলেও বর্তমানে নবীনের অবস্থা খুব খারাপ। তার যাবতীয় সহায়-সম্পত্তি গ্রামের মহাজনের কাছে। তার বাড়ির পাতলঘরে নাকি গুপ্তধন লুকানো আছে। ডাকাতি করে সবকিছু এই পাতালঘরে নাকি লুকিয়ে রাখত নবীনের পূর্বপুরুষগন। কিন্তু এই ঘরের দরজা কোনভাবেই খুলতে পারছে না নবীন। এমনকি তার ঠাকুরদাদাও এই চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। সদাশীব বাবুর দুই নাতি-নাতনি অনু, বিলু বড়দিনের ছুটি কাটাতে আসে। কিন্তু টেকেরহাট পৌছানোরঁ আগেই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। টেকেরহাট পৌছাতেঁ তখনো চার মাইলের রাস্তা বাকি। অনু, বিলুকে সাথে নিয়ে গাড়ির ড্রাইভার ভুজঙ্গদা হেটেঁই রওয়ানা দেয়। টেকেরহাট গ্রামে ঢোকার আগে একটা বন আছে। আর আছে এক কালি মন্দির। সেই বনে হটাৎ আলো জ্বলে উঠল। কিন্তু এই বনে তো দিনের বেলায়ই কেউ আসে না। তাহলে কাহিনী কি? ছুটে এসে দেখে বুড়ো সিদ্ধিনাথ রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। বিলু, অনুকে পাঠিয়ে দিয়ে ভুজঙ্গদা সেখানে থেকে যায়। গ্রামে ঢোকার পথেই দেখা হয় নবীনদার সাথে। নবীনদাকে সব খুলে বলার পর নবীন ওদের নিয়ে যায় সে বনে। কিন্তু গিয়ে দেখে অচেতন সিদ্ধিনাথ আর ভুুজঙ্গদা নেই। তাহলে ভুজঙ্গদা গেলো কোথায়? শান্ত-সুনিবিড় টেকেরহাট গ্রামে কি অশান্তি শুরু হলো তবে? আর এসব কাহিনী শুরু হয় কলকাতার বাবুরা আসার পর। তবে কি তারা জড়িত এই কাহিনীতে?

রিভিউস

আবশ্যিক তথ্যগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।